প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, আজ বুধবার দুপুর ১টায় চীনের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রওনা হয়েছেন ড. ইউনূস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৮ মার্চ বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ড. ইউনূস।
এ সফরে চীনা বিনিয়োগকারী, উৎপাদনকারী কোম্পানি, এনার্জি কোম্পানিসহ দেশটির শীর্ষ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রেস সচিব। এ সময় উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার অর্থনৈতিক কূটনীতির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে তুলে ধরা। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতি ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সংস্কারসহ বিদেশি বিনিয়োগ সহজ করতে “ওয়ান স্টপ সাপোর্ট” ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ‘ভারত ও চীন উভয়ই আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং বাণিজ্য বাড়ছে। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস এ বিষয়ে বলেন, তিনি ভারতের সঙ্গে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চান।’
গ্রামীণ টেলিকম ও স্টারলিংকের চুক্তি নিয়ে চলমান জল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি অনুমাননির্ভর তথ্য। স্টারলিংক বাংলাদেশে এখনো অপারেশন শুরু করেনি এবং তারা কার সঙ্গে চুক্তি করছে সে বিষয়েও কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে কিনা, তা স্টারলিংকের নিজস্ব বিষয়।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব জানান, সফরটি খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে আয়োজন করা হয়েছে। তাই আলোচ্য বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে এখনো আলোচনা চলছে।